🏍 কেন ইলেক্ট্রিক মটরসাইকেল কিনবেন?

  Date: 2020-03-03    Views: 308





সময়ের সাথে জীবন যাত্রার প্রতিটা স্তরেই পরিবর্তন আসছে। প্রতিদিনের যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমরা বেশিরভাগ সময় স্বাধীনভাবে চলার জন্যে আমরা মোটরসাইকেল পছন্দ করে থাকি যা শুধুমাত্র আমাদের স্বাধীন পথ চলার নিশ্চয়তা দেয় না বরং চাহিদা মাফিক গতি এবং দুরুত্ব অতিক্রম করার অন্যতম বড় একটি মাধ্যম। বলা বাহুল্য যে সময়ের পরিক্রমায় মোটরসাইকেলেরও অনেক পরিবর্তন এসেছে যার মধ্যে ইলেকট্রনিক মোটরসাইকেল হলো অন্যতম যা মানুষের ইচ্ছা, অভিরুচি এবং প্রয়োজনের দ্বারা সময়ের সাথে সাথে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তাই আমাদের সকলেরই জানা উচিত কেন আমাদের সবার ইলেকট্রিক বাইক ব্যবহার করা উচিতঃ


পরিবেশ বান্ধব:

ইলেকট্রিক বাইকের অন্যতম সুবিধা হলো এটি পরিবেশ বান্ধব কারন এই বাইক থেকে কোনরকম ধোয়া বের হয় না, শব্দ হয় না এবং তাপ উৎপন্ন করে না। তাই শুধু বাংলাদেশ না বরং পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে ইলেকট্রনিক বাইকের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়ানো উচিত।


সাশ্রয়ী:

দামের দিক দিয়ে বর্তমান বাজারে ইলেকট্রনিক বাইকের থেকে কম দাম অন্য কোন স্বয়ংক্রিয় বাহনের নেই তাই আপনাকে যদি প্রতিদিনের প্রয়োজনে পথের দুরুত্ব অতিক্রম করাই লাগে তবে আপনি ইলেকট্রনিক বাইক নিয়ে ভাবতে পারেন। অন্যদিকে, সময়ের সাথে সাথে ইলেকট্রক বাইকের সকল পার্টস সহজলভ্য হয়ে আসছে তাই আপনাকে পার্টস নিয়েও দুঃশ্চিন্তা করতে হবে না।


সহনীয় দাম:

দামের দিক দিয়ে প্রতিটা ইলেক্ট্রিক বাইকই অনেক সাশ্রয়ী এবং শুধুমাত্র দামের দিক দিয়ে সাশ্রয়ী না বরং ক্রয় পরবর্তী মেইন্ট্যানেন্স এবং পার্টসের মুল্যও অনেক কম যা আপনাকে অনেক প্রায় সকল দিক সাশ্রয় করবে।


সহজ ব্যবহার:

প্রতিটা ইলেকট্রিক বাইক এমনভাবে তৈরি হয়ে যা সকলের তথা সব বয়সী রাইডারের জন্যে রাইড করা খুবই সহজ। সাধারন বাইকের মতো গিয়ার/ক্লাচ ইত্যাদির জটিলতা নেই। কাজেই বাইকটি আপনি খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।


নিরাপদ:

নিরাপত্তার দিক থেকে ইলেকট্রিক বাইক অন্য যেকোন সাধারন বাইকের দিক অনেক এগিয়ে কারন এতে অতিরিক্ত গতি তোলার তেমন সম্ভাবনা নাই তবে স্পেসালাইজড হলে আলাদা কথা। আবার অধিকাংশ ইলেকট্রিক বাইক ড্রাম এবং ডিস্ক ব্রেকের সমন্বয়ে তৈরি যা আপনাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে অবস্থা যা ই হোক।


আইনগত জটিলতা কম:

ইলেক্ট্রিক বাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্যতম মজার দিক হল আপনাকে এই বাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্স না করলেও চলবে, শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশন বা পৌর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি পত্র এবং আপনার বাইকের নম্বর প্লেট সংগ্রহ করে নিতে হবে। যা সাধারন বাইকের তুলনায় খুব সহজেই সংগ্রহ করা যায় এবং খরচও কম।


জ্বালানি চালিত বাইকের বিকল্প:

অনেকেই ভেবে থাকতে পারেন যে চার্জের কারনে দেশের জাতীয় সম্পদ বিদ্যুতের ঘাটতি তৈরি হতে পারে কিন্তু তা মোটেই হওয়ার সম্ভাবনা নাই কারন বিদ্যুতের উৎপাদন সময়ের সাথে সাথে বেড়েই চলেছে। চার্জ দেওয়ার সময় নিয়ে অনেককে অভিযোগ করতে শোনা যায় তাই বলে রাখা ভাল যে দ্রুত চার্জ হয়ে যায় এমন ইলেকট্রনিক বাইকও বাজারে আছে যার দাম তুলনামুলক বেশি যা ৯০ – ১০০ মিনিটের মধ্যে সম্পুর্ন চার্জ হয়ে যায়। কাজেই ইলেক্ট্রিক বাইককে আপনি সাধারন বাইকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।


অনেক আরামদায়কঃ

বাংলাদেশের রাস্তায় চলাচলের জন্যে এর থেকে আরামদায়ক ব্যক্তিগত বাহন খুজে পাওয়াটা অনেক কঠিন কারন পথের অবস্থা যা ই হোক না কেন আপনি চাইলেই পথের ভাল অংশটা দিয়ে আরামদায়ক পথ চলা বেছে নিতে পারবেন


মেইন্ট্যানেন্স অনেক সহজঃ

ইলেকট্রনিক বাইক মেইনটানেন্স করা অনেক সহজ যা অন্যান্য সাধারন বাইকে একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

তাই আপনি যদি সাধারন বাইকের থেকে মার্জিত এবং কমপ্লিট সাপোর্টিভ ব্যক্তিগত বাহন আশা করেন তবে ইলেকট্রিক বাইকই হবে আপনার জন্যে সবচেয়ে ভাল একটি বাহন বর্তমান বাংলাদেশের সামগ্রীক অবস্থা বিবেচনা করে।